গুগল ৫জি ওয়াইফাই | কি এদের লক্ষ্য? | বিস্তারিত

থ্যটি জেনে মাথা চুলকাইতে শুরু করলেন নাকি? জ্বী, মাথা চুলকানোর মতোই তথ্য দিল এবার গুগল।এবার গুগল চালু করতে যাচ্ছে তাদের গুগল ৫জি ওয়াইফাই বা ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সার্ভিস।আপনারা যারা ভাবছেন কিভাবে এটা করবে গুগল? এতো ভাবতে হবে না আসুন জেনে নেই কিভাবে করবে এই কাজ।

গুগল ৫জি ওয়াইফাই বিস্তারিত

আপনারা হয়তোবা জানেন গুগল অনেক আগে থেকেই সুপার ফাস্ট ব্রডব্যান্ড কানেকশন দিয়ে আসছিল—কিন্তু সেটা ছিল কিছু নিদিষ্ট এলাকায়। তাছাড়া যেহেতু এটা ব্রডব্যান্ড তাই বাড়ির ভেতরে ছাড়া এটা ব্যবহারের কোন উপায় ছিল না। সেই জন্য গ্রাহক এর কথা চিন্তা করে এবার তারা গুগল ওয়্যারলেস প্রোজেক্ট ফাই (Fi) এর মাধ্যমে ৫জি ওয়্যারলেস কানেকশন প্রদান করবে গ্রাহকদের। “ফাই” হলো গুগলের এমন এক প্রোজেক্ট যেটা দ্বারা ৩জি, ৪জি ও ওয়াইফাই কানেকশন সুইচ করে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে—আর এই সুবিধাটাই কাজে লাগাচ্ছে গুগল তারা এবার ২.৪ থেকে ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড ব্যবহার করছে তাদের রাউটার গুলোতে। সবথেকে খুশির সংবাদ এই যে, ক্যানসাস সিটিতে তারা ৩.৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড ব্যবহার করে আর সেখানে তারা ডাটা ট্র্যান্সফার করে ১ জিবিএস স্পিডে। তাই বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, গুগল খুব শীঘ্রই ৫জি ইন্টারনেট কানেকশন দিতে যাচ্ছে। ওয়াইফাই কি এবং এর বিভিন্ন ব্যান্ড সম্পর্কে জানার জন্য আমাদের ওয়াইফাই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন।

তাছাড়া তারা এফসিসির সাথে চুক্তি করে আমেরিকার ২০ টি রাজ্যে এর পরীক্ষা করবে বলে জানিয়েছে গুগল। গুগল জানিয়েছে “তারা এমন একটি পথে হাটতে যাচ্ছে যেখানে টেকনোলজি এগিয়ে যাবে আরো একধাপ, আমরা ৪জি এর সমস্যা গুলো সমাধান করেছি এবং ৫জি এর জন্য কাজ কারছি।” কিন্তু গুগল বলছে ৩.৫ গিগাহার্জ দিয়ে ৫জি চালানো সম্ভবনা তাই এফসিসি ভবিষ্যত ৫জি অ্যাপ্লিকেশন এর কথা ভেবে ৬৪-৭১ গিগাহার্জ লাইসেন্স বিহীন ব্যান্ডউইথ দেয়ার চুক্তি করেছে। (আরো পড়ুন গুগল প্রোজেক্ট আরা সম্পর্কে)

কীভাবে আপনার ডিভাইজটি ব্যান্ড চয়েজ করবে?

পুরাতন ফোন গুলো থেকে শুরু করে অনেক ব্যাক্তিগত ডিভাইজ শুধু মাত্র ২.৪ গিগাহার্জ ব্যান্ড সমর্থন করে, এবং এরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এদের প্রয়োজনীয় ব্যান্ডের সাথে সম্পর্ক যুক্ত হয়ে পড়ে। প্রত্যেকটি ডুয়াল ব্যান্ড সমর্থনকারী ডিভাইজ গুলো ২.৪ গিগাহার্জ এবং ৫ গিগাহার্জ উভয় ব্যান্ডই সমর্থন করে থাকে। আর এই ডিভাইজ গুলো ঠিক কোন ব্যান্ড চয়েজ করবে তা নির্ভর করে বিভিন্ন বিষয়ের উপর। যেমন অনেক সময় ডুয়াল ব্যান্ড ডিভাইজ গুলো শুধু মাত্র সেই ব্যান্ডকেই সমর্থন করে, যার সিগন্যাল শক্তি অনেক বেশি।

গুগল তাদের ৪জি থেকে ৫জি তে আনার চেষ্টা কতটুকু সফল হয় এখন সেটাই দেখার বিষয়।কিন্তু একটা কথা বলাই যাই গুগল ৫জি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিজের ভব্যিষ্যত নিজেই পোক্ত করে নিল। গুগলের এই নতুন প্রোজেক্ট সম্পর্কে আপনার মতামত জানাতে কিন্তু ভুলবেন না। ধন্যবাদ ????

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *